কাস্টমস আইন ২০২৩
ধারা ৩৩ - অসত্য বিবৃতি, ইত্যাদি
(১) কোনো ব্যক্তি কাস্টমস সংশ্লিষ্ট নিম্নবর্ণিত কোনো বিষয়ে অসত্য তথ্য বা বিবৃতি বা, ক্ষেত্রমত, দলিল দাখিল করিবেন না, যথা:-
(ক) কাস্টমস কর্মকর্তার নিকট কোনো ঘোষণা, নোটিশ, প্রত্যয়নপত্র অথবা অন্য যে কোনো দলিল দাখিল বা স্বাক্ষর করা অথবা অর্পণ করা বা অর্পণ করিবার ব্যবস্থা করা;
(খ) এই আইন বা বিধির অধীন কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কাস্টমস কর্মকর্তা কর্তৃক জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাবে কোনো ঘোষণা প্রদান করা; অথবা
(গ) ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে কোনো ঘোষণা, দলিল, তথ্য অথবা রেকর্ড প্রেরণ করা অথবা উহাদের সফট কপি উপস্থাপন করা।
(২) উপ- ধারা (১) এ উল্লিখিত কোনো অসত্য তথ্য বা বিবৃতি বা দলিল দাখিলের কারণে অথবা কোনোরূপ যোগসাজশের কারণে যদি কোনো শুল্ক অথবা চার্জ আরোপ করা না হয় অথবা কম আরোপিত হয় অথবা ভুলক্রমে ফেরত প্রদান করা হয়, তাহা হইলে যে ব্যক্তি উক্ত কারণে কোনো অর্থ পরিশোধের জন্য দায়বদ্ধ তাহার উপর নোটিশে উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ তিনি কেন পরিশোধ করিবেন না উহার কারণ দর্শানোর জন্য দাবিনামা সম্বলিত নোটিশ জারি করিতে হইবে।
১[(২ক) যে ক্ষেত্রে অসাবধানতা, ভ্রান্তি অথবা ভুল ব্যাখ্যার কারণে পরিমাণে ৪ (চার) হাজার টাকার নিম্নে নহে এমন কোন শুল্ক অথবা চার্জ আরোপ করা না হয় অথবা কম আরোপিত হয় অথবা ভুলক্রমে ফেরত প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি উক্ত কারণে কোন অর্থ পরিশোধের জন্য দায়বদ্ধ তাহার উপর নোটিশে উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ তিনি কেন পরিশোধ করিবেন না উহার কারণ দর্শানোর জন্য দাবিনামা সম্বলিত নোটিশ জারি করিতে হইবে। ]
(৩) উপ- ধারা (২) এ বর্ণিত ব্যক্তির যদি কোনো বক্তব্য থাকে, তাহা হইলে যথাযথ কর্মকর্তা তাহা বিবেচনাপূর্বক উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদেয় শুল্কের পরিমাণ নির্ধারণ করিবেন, যাহা নোটিশে উল্লিখিত অর্থের পরিমাণ হইতে বেশি হইবে না, এবং উক্ত ব্যক্তি এইরূপে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করিবেন।
(৪) উপ- ধারা (২) এর অধীন কোনো নোটিশ জারির ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা থাকিবে না।
১ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১৪৭ ধারাবলে ধারা ৩৩ এর উপ-ধারা (২) এর পর নূতন উপ-ধারা (২ক) সন্নিবেশিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।