কাস্টমস আইন ২০২৩
ধারা ১৩৪প - শুল্ক, ইত্যাদি পরিশোধে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে পদ্ধতি
১[ (১) যদি কোনো ব্যক্তি বা মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ধারা ২১ এর অধীন দাবিকৃত কোনো অর্থ পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে যথাযথ কর্মকর্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন অথবা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত মালিকের পণ্য অথবা পণ্য প্রস্তুতকরণে ব্যবহৃত কোনো কারখানা, যন্ত্রপাতি অথবা মেশিনারি অথবা উক্ত ব্যক্তির মালিকানাধীন অন্য কোনো পণ্য এবং সম্পত্তির এইরূপ অংশ যাহা দাবি আদায়ের জন্য পর্যাপ্ত বিবেচিত হইবে তাহা আটক করাইতে পারিবেন, এবং অবিলম্বে উক্তরূপ আটকের লিখিত নোটিশ মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান-কে প্রদান করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নোটিশের তারিখ হইতে ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে দাবি পূরণ করা না হইলে উক্তরূপ আটককৃত পণ্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিক্রয় করা যাইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিক্রয়লব্ধ অর্থের নিট পরিমাণ হইতে ধারা-১৩৪ন এর অধীনে সরকারের পাওনার সমপরিমান অর্থ সমন্বয় করা হইবে এবং কোনো অর্থ উদ্বৃত্ত, যদি থাকে, ধারা ২৩৭ অনুসারে বিলিবন্দেজ পদ্ধতিতে ব্যবস্থিত হইবে।
(৪) পণ্যের কোনো হস্তান্তর বা স্বত্ব-নিয়োগ (assignment) এর উপর পাওনা আদায়ের জন্য যথাযথ কর্মকর্তাকে এই ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা হইতে নিবৃত্ত করিতে পারিবে না। ]
১ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৬৯ ধারাবলে নূতন ধারা সংযোজিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।